চলতি টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে দাপট দেখানো জিম্বাবুয়ে অবশেষে মাটিতে নামলো। শ্রীলঙ্কার মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চমক দেখালেও আজ ভারতের কন্ডিশনে তারা পাত্তাই পায়নি। শিমরন হেটমায়ারের বিধ্বংসী ব্যাটিং আর গুড়াকেশ মোতির ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়েকে ১০৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
টসে জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে দুই ওপেনার ব্যর্থ হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে খুব একটা ভুগতে হয়নি। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান শিমরন হেটমায়ার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন রভম্যান পাওয়েল। এই দুজনের ঝোড়ো জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায় জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের শেষ দিকে শারফেন রাদারফোর্ড ও রোমারিও শেফার্ডের ক্যামিও ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ওভারে ২৫৪ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জিম্বাবুয়ের জন্য দিনটি ছিল আক্ষেপের। বেশ কিছু ক্যাচ হাতছাড়া করার মাশুল তাদের দিতে হয়েছে রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে।
২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। পাওয়ারপ্লেতেই তারা হারিয়ে ফেলে তিন উইকেট। মাঝের ওভারে কিছু ব্যাটার প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১০৭ রান দূরে থাকতেই থেমে যায় তাদের ইনিংস। তবে শেষ দিকে ইভান্সের লড়াকু ব্যাটিং পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছে মাত্র।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ে সবচেয়ে বড়ো অবদান রাখেন বোলাররা। বিশেষ করে গুড়াকেশ মোতি একাই শিকার করেন চার উইকেট। তাকে দারুণ সহায়তা করেন আকিল হোসেন, যার ঝুলিতে গেছে তিন উইকেট। জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি।
এই হারের ফলে জিম্বাবুয়ের অশ্বমেধের ঘোড়া থমকে গেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দেখাল তারা কেন এই কন্ডিশনে ভয়ঙ্কর।
