প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা ট্র্যাজেডি বা বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিলো দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর একটি চরম আঘাত। এই নির্মম ঘটনার স্মৃতি ধরে রাখা এবং একে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। এটি নিশ্চিত করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিলো না, এটি ছিলো দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি হামলা। সেই ভয়াবহ দিনে আমরা যাদের হারিয়েছি, তাদের স্মৃতি ধরে রাখা এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এই সরকারের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এই জাতীয় ট্র্যাজেডিকে যদি আমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হই, তবে ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রশ্নে সীমান্তবাহিনীকে (বিজিবি) আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সামরিক বাহিনীকে আরও আধুনিকায়ন করবে সরকার।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
