দখলদার ইসরাইলের বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হয়েছেন। এ হত্যার প্রতিশোধ নেয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি।
ইরানের সেনাপ্রধান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ইসরাইলের বিমান হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা 'চূড়ান্ত' পাল্টা জবাব দেবে।
এক বিবৃতিতে হাতামি বলেন, উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে কঠোর, প্রতিরোধমূলক ও অনুতাপজনক জবাব দেওয়া হবে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, হাতামি লারিজানি ও অন্যান্য 'শহীদদের' মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেন ওই বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে লারিজানিকে শহীদ আখ্যা দিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান।
এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে তারা এরইমধ্যে মধ্য ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা বলছে, ইরানের হামলায় মধ্য ইসরাইলে দু’জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া কাতার, সৌদি আরব, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে হামলার সাইরেন বাজতে শোনা গেছে।
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসেও একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি এবং অভ্যন্তরীণ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিকে হত্যার দাবি করে ইসরাইল। তাৎক্ষণিক কিছু না জানালেও পরে তাদের হত্যার তথ্য নিশ্চিত করে তেহরান।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর লারিজানিই দেশটির সবচেয়ে সিনিয়র নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘মান রক্ষার’ প্রস্তাব দিয়ে যুদ্ধ বন্ধের আহবান
পিছু হটার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, ইরান চায় শীর্ষ নেতাদের হত্যার প্রতিশোধ