সড়ক, রেল ও জলপথের পাশাপাশি এবারের ঈদে আকাশপথেও ঘরমুখী মানুষের চাপ ব্যাপক বেড়েছে। ভোগান্তি এড়াতে যাত্রীরা আগেভাগেই বিমানে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন। ফলে ঈদের আগে অভ্যন্তরীণ সব রুটের অগ্রিম টিকিট এরই মধ্যে বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। তবে কম সময়ে নিরাপদ যাত্রায় স্বস্তি থাকলেও টিকিটের বাড়তি দাম নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে রয়েছে কিছুটা অস্বস্তি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সড়কপথের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে প্রতিবছরই আকাশপথে যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। এবারের ঈদে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটগুলোতে কোনো আসন খালি নেই বললেই চলে। বিশেষ করে সৈয়দপুর, যশোর ও রাজশাহী রুটের টিকিট এক মাস আগেই শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, ঈদের পর পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যাওয়ার জন্য যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদা দেখা যাচ্ছে।
বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো বলছে, যাত্রীচাপ সামাল দিতে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জেট ফুয়েলের (বিমানের জ্বালানি) দাম বাড়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে অভ্যন্তরীণ বাজারেও।
জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে টিকিটের দামও কিছুটা সমন্বয় করতে হয়েছে, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে আকাশপথে ঈদযাত্রায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তারা দ্রুত জ্বালানির দাম সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বেসরকারি হেলিকপ্টারের উড্ডয়ন সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে।
আকাশপথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা বলছেন, সময় বাঁচাতে এবং যানজটমুক্ত যাত্রার জন্য তারা বিমানকে বেছে নিয়েছেন। তবে শেষ সময়ে টিকিট না পাওয়া এবং চড়া দাম নিয়ে অনেকের মনেই আক্ষেপ রয়েছে।
ঈদের ছুটিতেও বাসভবন থেকে জরুরি ফাইল দেখছেন প্রধানমন্ত্রী