কারিগরি শিক্ষা এখন আর সাধারণ শিক্ষার বিকল্প কোনো ধারা নয়, বরং এটিই জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন-২০২৬’ -এর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে ‘অ্যাসেট’ প্রকল্পের মাধ্যমে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দক্ষ জনশক্তি ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়।
জাপান ও জার্মানির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, উন্নত রাষ্ট্র হতে হলে আমাদেরও কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারের লক্ষ্য কেবল সনদ প্রদান নয়, বরং বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত দক্ষতা তৈরি করা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কারিগরি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তাদের পরামর্শ শোনেন। তিনি যুবসমাজকে উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এনডিসি।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী। এছাড়া অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিল্পকারখানার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী এই আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মোট ৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করে। এর মধ্য থেকে সেরা ৬টি প্রকল্প আগামী ১৭ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতা উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনারও অনুষ্ঠিত হয়।
লেবাননে ইসরাইলি হামলার ঢাকার নিন্দা