হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু

আপডেট : ০৮ মে ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম

দেশেই বেড়েই চলছে হামের প্রাদুর্ভাব, দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যু তালিকাও। হাম ও হামের উপসর্গে গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।  
 
শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর বাকি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৩৪৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৫৮ শিশু। আর সন্দেহজনক হামে ২৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২১২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪৬ হাজার ৭১০ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ২৮২ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৪৯০ জন। 

এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৬২ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫২ শিশু।

আরবিএস
গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮৬ জনে। 
সারাদেশে গেলো ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ দেখা গেছে এক হাজার ২৩১ জনের শরীরে। 
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কেউ মারা যাননি।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কেউ মারা যাননি।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী শুক্রবার। ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন করে মানবজাতির কল্যাণের লক্ষ্যে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই...
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) বাতিল হওয়ার কারণে খেলোয়াড়দের আয়ের সুযোগ কমে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর পরিবর্তে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে পুলিশের একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যকে কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর