শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম আরও যুগোপযোগী করতে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি—এই চারটি বিষয়ে নতুন বই দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে সার্বিক শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় বড়ো ধরনের সংস্কার বা পরিবর্তন আনা হবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। রঙ-বেরঙের বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উচ্চশিক্ষায় ভর্তি বিড়ম্বনা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসনসংখ্যার তুলনায় ভর্তির যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা অনেক কম থাকায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম দফায় নির্দেশিকা অনুযায়ী আবেদনকারীদের ভর্তির পর এখনো আসন খালি রয়েছে। এছাড়া নারীশিক্ষার অগ্রদূত কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরীর জীবনী ও অবদান পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্বব্যাপী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, এই সঙ্কটটি আন্তর্জাতিক। তবে এর ফলে জনগণের ওপর যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সরকারি সহায়তার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের বিষয়েও তিনি ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করে কুমিল্লার স্বার্থে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মাইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এমপি, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়াসহ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।
