স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত জেএমআই গ্রুপ এবার ব্রোকারেজ হাউজ খুলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।
আইন অনুযায়ী পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে বাধা না থাকলেও, দুর্নীতি মামলার পর কী উদ্দেশ্যে তারা বিনিয়োগ করছে সেটি খতিয়ে দেখার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক বলছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে জেএমআই-এর বিনিয়োগের উৎস অনুসন্ধান করা হবে।
গেলো বছর করোনার সময় মাস্ক ও পিপিএ কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে জেএমআই গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই মামলার তদন্ত এখনও চলছে।
এরিমধ্যে গেলো চার সেপ্টেম্বর থ্রি আই সিকিউরিটি লিমিটেড নামের একটি ব্রোকারেজ হাউজের জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলন্ডে সার্টিফিকেট বা ট্রেক পেয়েছে- জেএমআই। যার মধ্য দিয়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের বৈধতা পেলো বিতর্কিত এই প্রতিষ্ঠান।
দুদকের মামলায় অভিযুক্ত কেউ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে, সিকিউরিটি একচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার জানান, আইনে কোন বাধা নেই।
তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, দুর্নীতি মামলায় অভিযু্ক্তরা কেউ বিনিয়োগ করলে বাজারকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতেই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা উচিত।
আরও পড়ুন: নিরুপায় কৃষক, দালাল ছাড়া মেলে না ঋণ
তবে কর্তৃপক্ষ চাইলে জেএমআইর শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা অর্থ নিয়ে অনুসন্ধান করবে দুদক।
সন্দেহজনক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে নজরদারি দরকার বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/আরএ
