১৫ বছরে দেশে পলিথিনের ব্যবহার বেড়েছে তিনগুণ

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৪০ পিএম

১৫ বছরে দেশে পলিথিনের ব্যবহার বেড়েছে তিনগুন। ঢাকায় বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। বিশ্বে প্লাস্টিক দূষণে বাংলাদেশ শীর্ষে। পলেথিন ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, সবুজ নগরায়ণ গড়তে হলে প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনায় এ্যাকশন প্লান বাস্তবায়ন করতে হবে। 

বাংলাদেশে ২০০২ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫-এর প্রেক্ষিতে পলিথিনের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার, উৎপাদন, বিপণন এবং পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়। ২০ বছর পার হলেও তা বন্ধ হয়নি বরং পলিথিনের ব্যবহার বেড়েছে কয়েকগুন। 

২০০৫ সালে সারা দেশে পলেথিনের ব্যবহার ছিলো পার ক্যাপিটা ৩ কেজি। ২০২০ সালে বেড়ে দাড়ায় পার ক্যাপিটা ৯ কেজি। ঢাকাতে ব্যবহার হতো ৯.২ কেজি বর্তমানে ২২.২৫ কেজি। এতে বছরে জিডিপিতে ক্ষতি হচ্ছে ৩.৪ শতাংশ। ঢাকার জিডিপিতে ক্ষতি ০.৭ শতাংশ। বায়ু আর পানি দূষণের কারণে বছরে দেশে মারা যাচ্ছে ২৮ শতাংশ মানুষ। 

প্লাস্টিক ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন গবেষকরা। তারা বলেন, সময়ের সাথে প্লাস্টিক ব্যবহার বাড়বে তবে তা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এ্যাকশন হাতে নিয়েছে সরকার। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদি সহ চারটি ধাপ হাতে নেয়া হয়েছে। 

২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ ব্যবহার কমানো হবে। ২০২৬ সালের মধ্যে একবার ব্যবহারিত হয় এমন পলেথিন ৯০ ভাগ কমানো হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০ ভাগ রিসাইক্লিং করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে করা হবে ৮০ ভাগ। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ ভাগ প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদন কমিয়ে আনা হবে।  

বিশ্ব ব্যাংকের জেষ্ঠ্য গবেষক বলেন, ইউরোপের চেয়ে বাংলাদেশ কম পলিথিন ব্যবহার করে কিন্তু ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বেশি। 

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রী শাহাব উদ্দীন বলেন, মানুষ আইন মানে না অথচ বিদেশ গেলে নিয়ম মানে। পলিথিনের কারণে পানি, মাটি, বাতাস দূষিত হচ্ছে। শব্দ দূষণে ঘুম আসে না। পরিবেশ রক্ষায় প্লাস্টিক ব্যবহারে এ্যাকশন প্লান বাস্তবায়ন করতে হবে। 

পরিবেশ আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়েছে,  নিষিদ্ধ পলিথিন সামগ্রী উৎপাদন করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কিন্তু সেই আইনের শতভাগ বাস্তবায়ন নেই মাঠ পর্যায়ে। 


একাত্তর/ এনএ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর