চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন।
দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশের ৫০তম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের তৃতীয় বাজেট এটি।
নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি। টাকার ওই অংক বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৭.৫ শতাংশের সমান।
এদিকে বিদায়ী অর্থবছরে মুস্তফা কামালের দেওয়া বাজেটের আকার ছিল ২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের ১৩.২৪ শতাংশ বেশি এবং জিডিপির ১৭.৯ শতাংশের সমান।
এবার বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে- জীবন ও জীবিকা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৃষি খাতে।
একনজরে কোন খাতে কত বরাদ্দ
সামাজিক অবকাঠামো: ১ লাখ ৭০ হাজার ৫১০ কোটি টাকা।
মানবসম্পদ: ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা।
সামাজিক নিরাপত্তা: ১ লাখ ৭ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা।
কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন: ৭৪ হাজার ১০২ কোটি টাকা।
যোগাযোগ ও অবকাঠামো: ৬৯ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ২৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা।
করোনা মোকাবেলা: ১০ হাজার কোটি টাকা।
স্বাস্থ্যখাত: ৩২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও প্রযুক্তি গবেষণা: ১০০ কোটি টাকা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা: ২৬ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা।
মাধমিক ও উচ্চ শিক্ষা: ৩৬ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা: ৯ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন: ৪১ হাজার ১০ কোটি টাকা।
কৃষি: ২৪ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ৪ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।
তৈরি পোশাক খাত:১ শতাংশ হারে রপ্তানি প্রণোদনা।
এছাড়া পরিচালনসহ অন্য খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।
এবারের বাজেট ঘাটতি দুই লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এই ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক উৎস থেকে নেওয়া হবে এক লাখ এক হাজার ২২৮ কোটি টাকা।
অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা।
