আসছে বাজেটে সুষম বণ্টন ও গুণগত ব্যয় নিশ্চিত করতে অর্থনৈতিক অঙ্গরাজ্য গঠনের প্রস্তাব করে জাকের পার্টি। সেই সঙ্গে বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তিন প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
তাদের প্রস্তাবগুলো হলো- ব্যাংকের প্রকৃত সুদের হার তিন শতাংশ বৃদ্ধির আহবান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মজুতদারদের সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভূমি বা স্বর্ণ খাতে সাধারণ বিনিয়োগকারীকে বিনিয়োগের সুযোগ।
শনিবার (২৭ মে) রাজধানীর বনানীতে জাকের পার্টির কার্যালয়ে প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. সায়েম আমীর ফয়সল। এ সময় দলের মহাসচিব শামীম পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।
ড. সায়েম আমীর ফয়সল বলেন, এবার প্রস্তাবিত বাজোটের আকার সাত লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা। ৬৪ জেলা দিয়ে যদি এ অঙ্ক ভাগ করা হয়, তাহলে প্রতি জেলা গড়ে পায় ১০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশের একটি জেলার জনসংখ্যা একটি ইউরোপিয়ান দেশের সমান। এতো জনবহুল দেশে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ যদি না হয়, তাহলে জনসাধারণকে মূল অর্থনৈতিক স্রোতধারায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে না। এজন্য জেলা পর্যায়ে সরকার প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: অর্থনীতির চাপ সামলাতে সংস্কারের তাগিদ সিপিডির
ড. সায়েমের প্রস্তাব, সিন্ডিকেট-মুক্ত কৃষি খাত তৈরি, দেশে যাতে খাদ্য সংকট তৈরি হতে না পারে, সে জন্য দুই বছরের খাদ্য মজুত করা, কৃষকের উৎপাদিত শস্য ও পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সুষম কৃষির অগ্রগতিতে ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে।
একাত্তর/এসি
