চলতি অর্থবছরে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি কমেছে। তবে নতুন বাজারে রপ্তানি বেড়েছে।
গার্মেন্টস মালিকরা বলছেন, আস্থার সঙ্কট কাটানো গেলে এবং পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক ছাড়ের ব্যবস্থা করা গেলে নতুন বাজারে রপ্তানি আরো বাড়ানো সম্ভব।
রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে পোশাক খাত থেকেই। প্রায় দেড়শোর মতো দেশে হলেও এখনো বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির দুই তৃতীর্য়াংশের বেশি হয় ইউরোপ এবং আমেরিকায়।
তবে এই দুই বাজারের বাহিরে চলতি অর্থ বছরের ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের পোশাক। অর্থাৎ অপ্রচলিত বা নতুন বাজারে যাচ্ছে এখন মোট পোশাক রপ্তানির ১৯ শতাংশ। আর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২.২৮ শতাংশ।
অন্যদিকে একই সময়ে ইউরোপে রপ্তানি হয়েছে সাড়ে ১১ বিলিয়ন ডলার। তবে প্রবৃদ্ধি ১.২৪ শতাংশ ঋণাত্মক। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের পোশাক। প্রবৃদ্ধি পাঁচ শতাংশ ঋণাত্মক।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতি। সেকারণেই প্রচলিত বাজারে রপ্তানি কমেছে। তাই অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বিজিএমইএও চেষ্টা করছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ভারত আর মেক্সিকো ছাড়া চলতি অর্থবছরে নতুন সব বাজারেই রপ্তানি ভালো। তাদের মতে অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি বাড়াতে প্রয়োজন বিনিয়োগ বাড়িয়ে নতুন বাজার এবং পণ্য বহুমুখীকরণে মনোযোগ দেওয়া।
পোশাকের রপ্তানি বাড়াতে অপ্রচলিত বাজারের জন্য চার শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এটিও রপ্তানি বৃদ্ধির অন্যতম কারন বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
কিছুদিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম কমবে: টিটু