‘তুমি কোন কাননের ফুল’ গানটি শুনতে সবারই ভালো লাগে। বিদেশি জাতের ফুল এদেশে দেখে কেউ হয়তো মনে মনে গেয়েছেন ‘তুমি কোন দেশের ফুল গো, কোন কাননে তোমার বাস।’ উন্নত দেশগুলোর ফুলের দোকানে নানা জাতের আমদানি করা তাজা ফুল মেলে সব সময়। এই চাহিদার কারণেই বিশ্বে ফুলের বাজার ৩৬ বিলিয়ন ডলারের। এরমধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বাজার ধরার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের।
বিশ্ববাজারে ৯০ শতাংশ ফুল রপ্তানি হয় চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ভারত, নেদারল্যান্ড, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর এবং কেনিয়া সহ ১৫ টি দেশ থেকে। তবে শীর্ষে নেদারল্যান্ড। মার্কেটস অ্যান্ড মার্কেটসের তথ্য অনুসারে, দেশটি থেকে রপ্তানি হয় বিশ্বের ৫২ শতাংশ ফুল। এরপর কলম্বিয়া ১৫ শতাংশ, ইকুয়েডর ৯ শতাংশ এবং কেনিয়া সাত শতাংশ।
করোনার পরে ফুলের বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ২৪ দশমিক ১ শতাংশ। ফুলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক যুক্তরাষ্ট্র, এরপর জার্মানি আর তৃতীয় স্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালে প্রায় ২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারের ফুল আমদানি করে। তার পরের স্থানেই আছে জার্মানি। দেশটি ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারের এবং যুক্তরাজ্য ১ দশমিক শূণ্য এক বিলিয়ন ডলারের ফুল আমদানি করে।
কিন্তু তাজাফুল রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অংশিদারিত্ব নেই বললেই চলে। কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক সম্প্রতি বলেছেন বিশ্বে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ফুলের বাজারে, অর্ধ বিলিয়ন ডলারের অংশিদারিত্ব নেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
ফুল দৃষ্টিনন্দন আর এর ঘ্রাণে মাতাল হয় মন। এর অর্থনৈতিক মূল্যও প্রচুর। বিশ্ববাজারে আছে লক্ষ লক্ষ প্রাকৃতি ও অপ্রাকৃতিক পণ্য। অবজারভেটরি অব ইকোনমিক কমপ্লেসিটি বলছে ফুল হচ্ছে, পৃথিবীতে ৩৪৪ তম বাণিজ্য সফল পণ্য।
