কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম পাচ্ছে না, এদিকে ভোক্তারা বেশি দামে পণ্য কিনছে। মুনাফা করছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। তাই, তাদের দৌরাত্ম্য কমাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।
বৃহস্পতিবার মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমদানি-রপ্তানিকারকদের সুবিধার্থে শিগগিরই ঢাকা চেম্বার একইসঙ্গে সব চেম্বারে একটি পূর্ণাঙ্গ ডেস্ক স্থাপন করা হবে। আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র (আইআরসি) এবং ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ইআরসি) পাওয়ার সব সুবিধা দেয়া হবে এখানে। এ বছরের মধ্যে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) সেবা পেপারলেস করা হবে। এতে ব্যবসায়ীরা সুবিধা পাবেন।
প্রযুক্তিবিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, দেশের কোন জায়গায় তুলনামূলক কম মূল্যে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে, এধরনের তথ্য প্রাপ্তির একটি প্ল্যাটফর্ম প্রণয়ন জরুরি। কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী তথ্য কাঠামো প্রণয়নের কোন বিকল্প নেই। ভ্যালু চেইনসহ আমদানি, রপ্তানি উন্নয়নে সরকার ‘জাতীয় লজিস্টিক পলিসি ২০২৪’ -করেছে যা সকল উদ্যোক্তাদের জানতে হবে।

কৃষি ও তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. শামসুল আরেফিন তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, দেশের কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী করে এ খাতের তথ্যপ্রযুক্তি তৈরি ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তরুণ সমাজ সাম্প্রতিক সময়ে কৃষিখাতের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে, যেটা অনেক উৎসাহব্যঞ্জক বিষয়।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আশরাফ আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি মালিক তালহা ইসমাইল বারী। সুইসকন্টাকের জ্যেষ্ঠ ম্যানেজার মোহাম্মদ সাকিব খালেদ, আইফার্মার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহাদ ইফাজ কৃষিতে বিদ্যমান সমস্যা (অপর্যাপ্ত ডাটাবেজ, লজিস্টিক ব্যবস্থা,উৎপাদন ব্যয়, ফসল আহরণের খরচ, প্রতিকূল জলবায়ু মোকাবেলা ইত্যাদি) ও পরামর্শ ভিত্তিক পৃথক উপস্থাপনা করেন।
ডিসিসিআই সহ-সভাপতি মো. জুনায়েদ ইবনে আলী এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ঈদের সাতদিন আগেই সড়ক সংস্কার শেষ করুন: কাদের 