কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই করে দেয়া হবে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স। কয়টি ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হবে সেটিও নির্ভর করবে আবেদনকারীদের সাইবার সিকিউরিটি এবং আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়। এমটাই জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তবে, ব্যাংকাররা বলছেন একাধিক ডিজিটাল ব্যাংক আসলে প্রতিযোগিতার বাজারে তাদের টিকে থাকা মুশকিল হবে।
চীন, সুইডেন, ভারত, ব্রাজিল, জাপান ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের অনেক দেশেই ডিজিটাল ব্যাংক বেশ জনপ্রিয় হলেও বাংলাদেশে এই ধারণা একেবারেই নতুন। তবে, এদেশেও ডিজিটাল ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। যার লাইসেন্স পেতে ইতোমধ্যে আবেদন করেছে ১২ প্রতিষ্ঠান।
কিভাবে চলবে ডিজিটাল ব্যাংক? তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল আছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ বিষয়ে বলেন, ডিজিটাল ব্যাংক মূলত একটি অফিস থেকে পরিচালনা করতে হবে। এরা কেবল ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করতে পারবে। সেবা দিবে অ্যাপসের মাধ্যমে। থাকবে না কোনো বুথ কিংবা কার্ড। বড় নয়, শুধু ছোট ঋণ ইস্যু করতে পারবে ডিজিটাল ব্যাংক।
এমটিভি’র এমডি ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বললেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগ বেশি করতে হবে এবং লাভ পেতেও অপেক্ষা করতে হবে।
খুব বেশি ডিজিটাল ব্যাংকের দরকার নেই বলেও মনে করেন তিনি।
এ অবস্থায় নতুন বছরের শুরুর দিকেই ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হবে বলে প্রত্যাশা বাংলাদেশ ব্যাংকের।
নভেম্বরে এলপি গ্যাসের দাম কমলো