দেশে মোবাইলে এখন প্রতিদিন লেনদেন হয় গড়ে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। বড় এই মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) খাতটি সম্প্রতি ইন্টারনেট এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকার দিনগুলোতে ধাক্কা খেয়েছে।
এ থেকে শিক্ষা নিয়ে আর্থিক সেবা খাতের জন্য বিশেষ পরিস্থিতিতে বিকল্প পদ্ধতি ও নীতিমালা প্রস্তুত রাখা জরুরি বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের সাধারণ মানুষের বড় অংশের আর্থিক লেনদেন এবং অর্থ হস্তান্তরের বড় অংশই এখন হয় মোবাইলে। এতে অ্যাপ-নির্ভরতাও এখন অনেক বেশি।
সাম্প্রতিক সহিংসতায় ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধে এই খাত কিভাবে ধাক্কা খায় তা একাত্তরকে জানালেন উপায়ের পরিচালক এটিএম তাহমিদুজ্জামান।
তিনি বলেন, এমএফএসের নিয়মিত যে লেনদেন, তা একেবারে নিচে এসে ঠেকেছে। এর পেছনে দুটি কারণ আমরা চিহ্নিত করেছি। ব্যাংকগুলোও মাঝে কোনো লেনদেন করেনি।
নগদ টাকা হস্তান্তর এবং পণ্য ও সেবার দাম পরিশোধে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৪ হাজার কোটি টাকার মতো। বিশাল এই আর্থিক সেবা খাতের জন্য বিশেষ পরিস্থিতিতে বিকল্প পদ্ধতি প্রস্তুত রাখা জরুরি বলছেন, নগদের এমডি তানভীর মিশুক।
তার মতে, ব্যাংক ও এমএফএসের আলাদা ইন্টারনেট ব্যবস্থা থাকা উচিত। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এমন সার্ভিসের একটা অল্টারনেটিভ থাকে।
তানভীর মিশুক আরও বলেন, আমরা খারাপ সময়েও পরিস্থিতি সামলেছি। সাম্প্রতিক সময়ে যখন ইন্টারনেট বন্ধ ছিলো তখনও আমরা ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা লেনদেন করেছি।
এমএফএস এখন এতোই ব্যাপক আর অনিবার্য যে, এখানে বিশেষ পরিস্থিতির জন্য বিশেষ নীতিমালা ও ভাবতে হবে, বলছেন আর্থিক খাত বিশ্লেষক মো. সালাহউদ্দিন।
তিনি বলেন, টেকনিক্যাল বিষয়গুলো মাথায় রেখে সংশ্লিষ্টদের এখন থেকেই এ বিষয়ে ভাবতে হবে।
সংকট কাটিয়ে উঠবে তৈরি পোশাক খাত, আশা সংশ্লিষ্টদের