২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আগের মাসের তুলনায় ১২.৪৯ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতেও উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ রপ্তানি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দেশের মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪.৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। যা ২০২৬ সালের জুনে ছিল ৪.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। খবর বাসসের।
দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ যোগান দেওয়া তৈরি পোশাক খাত জুলাই মাসে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
জুলাইয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা জুন মাসের ৩.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৪.৭৩ শতাংশ বেশি।
জুলাই মাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ৯১৮.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের তুলনায় ০.২৫ শতাংশ বেশি।
দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার ছিল জার্মানি, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪৯৫.৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখানে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৭৮.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোর মধ্যে ভারত ও সৌদি আরবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ভারতীয় বাজারে রপ্তানি ১৫.৩০ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ১০.৬৪ শতাংশ বেড়েছে।
বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এই শক্তিশালী মাসভিত্তিক পুনরুদ্ধার চলতি অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে নীতিনির্ধারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সামনে শরৎকাল ও বছরের শেষের উৎসব মৌসুমকে ঘিরে নতুন রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিকারকেরা অপ্রচলিত বাজারে সম্প্রসারণ এবং নতুন পণ্য যুক্ত করার মাধ্যমে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবেন।
গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
অ্যানালগ নয়, ডিজিটালে রূপান্তর জরুরি: তথ্যমন্ত্রী