ঢাকায় ফুটপাত বিক্রি ও ভাড়া দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশনার অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্টে বেঞ্চ সরকারকে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানানোর নির্দেশনা দেন।
ঢাকার ফুটপাত বিক্রি করে জনগণের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি রিট দায়ের করে।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর রুল জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, সিআইডি ও রাজউককে ফুটপাত বিক্রির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের তালিকা ৬০ দিনের মধ্যে দাখিল করার নির্দেশ দেন। আদালত আরেক এক আদেশে যাতে আর কেউ ফুটপাত দখল করতে না পারে সে ব্যাপারে তদারকি দল গঠন করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুসারে, কোন প্রতিবেদন দাখিল না করায় এইচআরপিবির পক্ষে রিট মামলাটি আদালতের আদেশের জন্য প্রার্থনা জানালে সোমবার শুনানি হয়।
বাদি পক্ষে শুনানি করেন এ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সরকারকে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে সে বিষয়ে আগামী সোমবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র এ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, ফুটপাত হলো জনগণের চলাচলের রাস্তা। তা দখল ও বিক্রি করে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কর্মকর্তারা অর্থ উপার্জন করছে। এটি বন্ধে নির্দেশনা দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
