বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর চারপাশে সীমানা পিলার দেয়ার পরও বিভিন্ন জায়গা ভরাট করা হচ্ছে। সীমানা পিলারে ভেতরেই বালু ব্যবসায়ীদের দৌরত্ম্য চলছে। ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হলেও তার সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান জানান, প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে জটিলতা কাটবে।
অবৈধ দখল উচ্ছেদের পর নদীর চারপাশে বসানো হচ্ছে সীমানা পিলার। চলছে ১০৪ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ। তৈরী হচ্ছে জেটিসহ নানা রকম স্থাপনা। বিনোদন পার্কও করা হয়েছে চারটি। এতোকিছুর পরও চলছে দখল আর ভরাটের দৌরাত্ম্য।
বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ পাড়ে দেখা যাবে সারি সারি ড্রেজার মেশিন। বাল্কহেড থেকে বালু তুলে রাখা হচ্ছে নদীর সীমানা পিলারের ভেতর। বালু মহাল ছাড়াও সীমানার ভেতরে আছে ছোটবড় নানা স্থাপনা। প্রায় ১২শ কোটি টাকা ব্যয় করেও রক্ষা হচ্ছে না নদী।
দখলরোধে সীমানা ধরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলেও সুবিধা পাচ্ছে না মানুষ। দিনের বেলা মানুষ চলাচল করলেও বিদ্যুত না থাকায় সন্ধ্যার পর নিয়মিত ঘটছে ছিনতায়ের ঘটনা।
জনগনকে সতর্ক করে সাইনবোর্ড লাগিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রকল্প পরিচালক বলছেন, মানুষের চলাচল সুবিধায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে। সেই সাথে ওয়াকওয়ে ব্যবহার ও নিরাপত্তার বিষয়ে একটি নীতিমালাও করা হচ্ছে।
সীমানা পিলারসহ নদীর পাড় ঘীরে সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজ চলছে। তবে নদী দখলমুক্ত রাখা যাবে কিনা তা নিয়ে শংঙ্কা জানালেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজবাড়ীতে তীব্র পানির সংকট