সরকারের নিম্নতম মজুরী বোর্ডেরই এখতিয়ার নেই খাতভিত্তিক মজুরী বোর্ড গঠনের। মন্ত্রণালয় কর্তৃক শ্রমিক ও মালিক পক্ষ নির্ধারণ করে বোর্ড গঠন করলেই কেবল কাজ করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ শ্রম সংস্কার কমিশন সুপারিশ করেছে সব খাতের শ্রমিকের জীবন ধারণের উপযোগী মজুরি কাঠামো নির্ধারণের।
ঈদের আগে বেতন বা মজুরি আদায়ের দাবিতে এভাবেই শ্রম ভবন ঘেরাও করে শ্রমিকরা। পরে মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের দেন দরবারে শেষ হয় এই কর্মসূচি।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র নিম্নতম মজুরী বোর্ড থাকলেও মজুরি নির্ধারণেই কাজ শেষ তাদের। মাঠ পর্যায়ে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা দেখার অধিকার নেই। এমনকি কোন খাতে ন্যূনতম মজুরি কত হবে তাও ঠিক করতে পারে না তারা।
মন্ত্রণালয় শ্রমিক বা মালিকপক্ষ নির্ধারণ করে বোর্ড গঠন করে না দেয়ায়, কয়েক বছর ধরে আটকে আছে সিরামিকস, পেট্রোল পাম্প, খাবার তেল সহ বেশ কয়েকটি খাতের ন্যূনতম মজুরি।
নিম্নতম মজুরী বোর্ডের যখন এই অবস্থা তখন শ্রম সংস্কার কমিশন স্বপ্ন দেখছেন জাতীয় ভাবে নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের। ন্যূনতম মজুরি আদায়ে সরকার গঠিত বোর্ডেরই এমন দুরবস্থার মধ্যেই শ্রমিকরা স্বপ্ন দেখছেন জীবন যাপন উপযোগী মজুরি পাবার। সস্তা শ্রম বাজারের বদলে দক্ষ শ্রম বাজারের।
বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে তানিয়া আমিরের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর