রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে লাগা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুনের কেন্দ্রের দিকে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। সার্চ অপারেশন চলছে। নিহতের কোনো খবর নাই। দেড় হাজার ঘর পুড়ে গেছে। কীভাবে আগুন লাগলো তা এখনও নিশ্চিত নয়।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুনের কেন্দ্রের দিকে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। সার্চ অপারেশন চলছে। নিহতের কোনো খবর নাই। দেড় হাজার ঘর পুড়ে গেছে। কীভাবে আগুন লাগলো তা এখনও নিশ্চিত নয়।
ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, রাস্তায় ট্রাফিক, রাস্তা সরু হওয়ায় ছোট ছোট গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে। এই সীমাবদ্ধতার কারণে কাজ করা খুবই কঠিন। ফায়ার সার্ভিসের পাইপ কেটে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে। আগুন নেভাতে নিজস্ব, ওয়াসা ও ড্রেনের পানি ব্যবহার করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর বলা যাবে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯টি ইউনিট কাজ করেছে। দেশে আগামী দুই মাস আগুনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার কড়াইল বস্তিতে আগুন
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। ওই আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে য়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট কাজ করছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত বস্তিতে এই আগুনের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা ২২ মিনিটে ওই বস্তিতে আগুন লাগার খবর পান তারা। তবে প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ জানা যায়নি।
সরেজমিন, বস্তিটির মাঝ বরাবর অংশ আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখা গেছে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভাতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছেনা। গুলশান-১ এর লেক বরাবর বস্তির অংশের প্রায় পুরোটাতেই আগুন জ্বলছে।
এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বস্তিবাসীরা যে যার মতো নিরাপদে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কিছু মালামাল সরিয়ে নিতে পারলেও অনেকের পক্ষেই হয়তো তা সম্ভব হয়ে উঠবে না।
রাত সাড়ে আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন লাগা চারটি দিকের মধ্যে তিনটি দিক নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও উত্তর-পূর্ব দিকের আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। সেখানে আগুনের তীব্রতা বাড়ছে।
এদিকে ওই বস্তির বাসিন্দা হীরা নামে এক নারীকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। তিনি বলছেন, তার তিন সন্তান মিরাজ (১০), মারিয়া (৬) ও মায়েশাকে (৪) খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা।
