ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার মামলায় আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন শুটার জিন্নাত। পাশপাশি তিন জনকে সাত দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তিন আসামির রিমান্ডের আদেশ দেন। একই দিনে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক আসামি জিন্নাতের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
যাদের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন- বিল্লাল, রিয়াজ ও আব্দুল কাদির।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনের ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, আদালত শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ভিডিও ফুটেজ দেখে হত্যায় জড়িত অন্যদের ধরার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ঘটনার মূল শুটার রহিম এখনও পলাতক। হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও অস্ত্র উদ্ধারসহ ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কারা আছে, তা জানতে রিমান্ডের প্রয়োজন।
শুনানি চলাকালে আসামি রিয়াজ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতে বলেন, আমি ওইদিন কাজে ছিলাম, ঘটনার কিছুই জানি না। আমাকে শুধু শুধু গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে বসুন্ধরা সিটির পেছনে কাজীপাড়া–গ্রিন রোড এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বাদি হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ডিবি পুলিশ ঢাকা, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় সুফিয়ান বেপারী মাসুদ (৫০) নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বাম পাজরে গুলি লাগা মাসুদ তেজগাঁও কাজীপাড়া ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক।
