কোরবানির ঈদের তৃতীয় দিনেও দেশের পশুর চামড়ার বাজারে তীব্র মন্দা ও স্থবিরতা বিরাজ করছে। আড়তদারদের সিন্ডিকেট ও ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যের কারণে মাঠপর্যায়ে চামড়ার দাম স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন মৌসুমি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।
শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর পোস্তগোলা, লালবাগ ও আমিনবাজারসহ বিভিন্ন চামড়ার আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া নিয়ে এলেও ক্রেতাদের তেমন আগ্রহ নেই। বাজারে চামড়ার ব্যাপক সরবরাহ থাকার পরও বেচাকেনায় দেখা দিয়েছে চরম ধীরগতি।
মাঠপর্যায়ের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আড়তদার ও ট্যানারি মালিকদের সমন্বিত সিন্ডিকেটের কারণেই বাজারে কৃত্রিমভাবে এই দরপতন ঘটানো হচ্ছে। লোকসান এড়াতে লবণযুক্ত চামড়ার পাশাপাশি কাঁচা চামড়ারও সরকারিভাবে মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, আড়তদাররা সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, তীব্র পুঁজি সংকটের কারণে তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে আগের বকেয়া টাকা না পাওয়ায় তারা কাঙ্ক্ষিত মূল্যে চামড়া কিনতে পারছেন না।
এদিকে চামড়ার বাজারে এমন টানা মন্দা ও মাঠপর্যায়ে সরবরাহ কম থাকায় সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ট্যানারি মালিকেরা। কাঁচা চামড়া দ্রুত লবণজাত করা না হলে এই জাতীয় সম্পদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
