নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে পূজামণ্ডপ ও মন্দির ভাংচুরের মামলায় আব্দুর রহিম সুজন (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(২১ অক্টোবর) দুপুরে তাকে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রহিম সুজন বেগমগঞ্জের করিমপুরের খালপাড় ইউসুফ মিয়ার বাড়ির মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বসতঘর থেকে মন্দিরের লুণ্ঠিত লাক্স সাবান ছয়টি, টুথপেস্ট ছয়টি, দুধের প্যাকেট একটি, শ্যাম্পু ১৩টি, ম্যাক্সকেপ কপি একটি, ডিটারজেন্ট পাউডার চারটি, ভিম ডিসওয়াসিং দুইটি, হুইল সাবান একটি উদ্ধার করা হয়। আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বেগমগঞ্জ থানার ওসি বদলি
এদিকে, চৌমুহনীতে পূজামণ্ডপ, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভাংচুরের পাশাপাশি লুটপাট এবং দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সিকদারকে বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশে বদলি করা হয়।
কুমিল্লার নানুয়ার দিঘিরপাড় পূজামণ্ডপে সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার জের ধরে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) চৌমুহনীর ডিবি রোডে অবস্থিত বেশ কিছু দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার জেরে চৌমুহনী বাজারে মিছিল বের হয়। এক পর্যায়ে চৌমুহনী বাজারের ইসকন মন্দির, শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর মন্দির, রাধামাধব মন্দির ও বিজয়া দুর্গা মণ্ডপসহ বিভিন্ন দুর্গা মণ্ডপে হামলার চেষ্টা হয়।
একাত্তর/এসজে
