বগুড়ার ধুনটে এক স্কুলছাত্রীকে কয়েক দফা ধর্ষণের ঘটনার দুই মাস পর দায়েরকৃত মামলায় মুরাদুজ্জামান (৪৮) নামে এক প্রভাষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাতে ধুনট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের জালশুকা হাবিবর রহমান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক। ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের শৈলমারী গ্রামে তার বাড়ি।
জানা গেছে, মুরাদুজ্জামানের স্ত্রীও স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন এবং তাদের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ধুনট পৌর এলাকার দক্ষিণ অফিসারপাড়া এলাকার একটি বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন প্রভাষক মুরাদুজ্জামান। বাড়ির মালিকের ছোট ছেলে খেলাধুলা করতে প্রায়ই মুরাদুজ্জামানের ফ্লাটে যাওয়া-আসা করতো। আর বড় বোন তার ভাইকে নিতে ওই প্রভাষকের বাসায় যেতো।
এই সুযোগে একদিন ওই মেয়েটিকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে মোবাইল ফোনে একটি ছবি তোলে মুরাদ। এরপর ওই ছবিটি ফেসবুকে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে গত ৩ মার্চ মেয়েটিকে জোরপূর্বক তার বাসায় ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর ২৪ মার্চ এবং ৫ এপ্রিলও ধর্ষণের শিকার হয় স্কুলছাত্রী মেয়েটি।
সর্বশেষ মুরাদুজ্জামান মেয়েটিকে তাদের বাসায় গিয়ে জড়িয়ে ধরে। এসময় চিৎকার দিলে মেয়েটির খালা এসে মুরাদুজ্জামানকে হাতেনাতে ধরে ফেললেও কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
পরে মেয়েটি তার পরিবারের কাছে সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বললে তার মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাতে ধুনট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযুক্ত প্রভাষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একাত্তর/জো
