কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মা-ছেলের হত্যার ঘটনার চারদিন পর মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-১৪ এর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব ১৪, সিপিসি-১ জামালপুর ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার (কোম্পানি কমান্ডার) আশিক উজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার সবুজ রানা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জাকির হোসেন ওরফে জুফিয়াল (২৮) ও চান মিয়া (৪৩)। সংবাদ সম্মেলন শেষে আসামিদেরকে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে পূর্বপরিকল্লিতভাবে হাফসা আকতার হারেনা (২৭) ও তার পাঁচ মাস বয়সী শিশুকে গলাকেটে হত্যা করে আসামিরা।
পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে আসামি জাকির হোসেন ওরফে জুফিয়ালকে জামালপুর জেলার বকশিঞ্জ উপজেলা থেকে মঙ্গলবার (২৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে আটক করে র্যাব।
পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী) উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রাম থেকে অপর আসামি চান মিয়াকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চার যুবক গ্রেপ্তার
প্রসঙ্গত, গত ২১ মে ভোরে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের নতুনবন্দর হাজিপাড়া এলাকায় হাফসা আকতার হারেনাকে গলাকাটা অবস্থায় তার ছেলের মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে পথেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় হারেনার পিতা বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি অজ্ঞাত হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একাত্তর/এসজে
