বইবান্ধব সমাজ বিনির্মাণের লক্ষে বাংলা নাটকের গৌড়জন সেলিম আল দীনের নামে টাঙ্গাইলে সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
‘বই পড়ি নিজেকে গড়ি’ স্লোগানে অনেক আগে থেকেই পাঠাগারের কার্যক্রম চললেও সম্প্রতি টিনের আধাপাকা ঘর করা হয়েছে নিজস্ব জমিতে। সপ্তাহে সাতদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকছে পাঠাগারটি।
রবীন্দ্র রচনাবলীসহ পাঠাগারে রয়েছে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাময়িকীসহ কয়েক হাজার বই। পাশেই রয়েছে ‘পাঠকের কফি হাউজ’, খোলাপ্রান্তর। সম্পূর্ণ বিনা খরচে পাঠক বই পড়াসহ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারবেন।
পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট ড. হারুন রশীদ বলেন, আমরা এখানে একটি কালচারাল ইউনিভার্সিটি গড়ে তুলবো। তারই অংশ হিসেবে একটি সাংস্কৃতিক বলয় সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা , একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক এবং রবীন্দ্রোত্তর কালের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার সেলিম আল দীনের নামে এই পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি এ এলাকায় এসেছেন। এখানকার মান্দাই নৃ-গোষ্ঠী নিয়ে ‘বনপাংশুল’ নামে নাটক লিখেছেন।
আরও পড়ুন: হাইকোর্টে জামিন চাইলেন মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সেই মিন্নি
তিনি জানান, পাঠাগার থেকে মেধাবৃত্তি, শিশু-কিশোর, পাঠকের লেখা নিয়ে ‘রোদ্দুর’ নামে সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশসহ নানামুখী সৃজনশীল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতাও কামনা করছেন তিনি।
একাত্তর/এসি
