ফেনীর সোনাগাজীর নবাবপুর এলাকার কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত। একইসাথে তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক ওসমান হায়দার এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম ও আবুল কাশেম। এ মামলার অপর আসামি ওমর ফারুককে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০৩ সালের ১৫ মে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুরের একই এলাকার মোহাম্মদ ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম ও আবুল কাশেমসহ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি রাত দুটার সময় ঘরে ঢুকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক কিশোরীর মাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মাকে বেঁধে রেখে মায়ের সামনে মেয়েকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পরদিন কিশোরীর মা সোনাগাজী মডেল থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: হত্যা মামলায় একই পরিবারের সাতজনের যাবজ্জীবন
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদ আহম্মদ হাজারী জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আসামি মোহাম্মদ ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম ও আবুল কাশেমকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাসহ দুই লাখ টাকার অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাজুল ইসলাম জানান, রায় ঘোষণার সময় আদালতে ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্য আসামিরা পলাতক ছিলেন। রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানান।
একাত্তর/এসজে
