চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ছয়জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চমেক হাসপাতালে ভর্তিরা হলেন- চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার শেরশাহ কলোনির মো. সোলাইমানের ছেলে তৌকিদ ইবনে শাওন (২০), হাটহাজারী থানার আমান বাজার খন্দকিয়া এলাকার মৃত পারভেজের ছেলে তছমির পাবেল (১৬), মনসুর আলমের ছেলে মো. মাহিম (১৮), ছৈয়দুল আলমের ছেলে মো. সৈকত (১৮), আব্দুর রহিমের ছেলে তানভীর হাসান হৃদয় (১৮) এবং আবুল কাসেমের ছেলে মো. ইমন (১৯)।
যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক তারা হলেন- তৌকিদ ইবনে শাওন (২০), তছমির পাবেল (১৬), মো. মাহিম (১৮) ও মো. সৈকত (১৮)।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকেলে চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার নিবেদিতা ঘোষ জানান, ওই মাইক্রোবাসে ১৮ যাত্রী ছিল। তারা খৈয়াছড়া ঝরনা দেখে ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ১১ জন মারা যায়। আহত হয়েছেন আরও সাতজন। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজন সুস্থ আছেন।
আরও পড়ুন: ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত
উল্লেখ্য, শুক্রবার চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হন। এদিন দুপুর সোয়া একটার দিকে উপজেলার খৈয়াছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
একাত্তর/এসি
