চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা প্রয়াত শামসুল আলম মাস্টারের স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে (৫০) গুলি করে হত্যার ঘটনায় তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (১৭ আগস্ট) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর একটি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বেলা দেড়টায় র্যাবের চান্দগাঁও কার্যালয়ে ঘাতক মাইনুলকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) পটিয়ায় নিজ ঘরে মাকে গুলি করে হত্যা করেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত শামসুল আলম মাস্টারের ছেলে মাইনুল।
র্যাব জানায়, মা জেসমিন আক্তারকে গুলি করে হত্যার আগে নিজের বোনের দিকেও গুলি ছুঁড়েছিলেন হত্যাকারী মাইনুল ইসলাম। গায়ে গুলি না লাগায় সে সময় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বোন শায়েলা শারমীন নিপা।
র্যাব অধিনায়ক জানান, সম্পত্তি ও টাকা পয়সার বিরোধে মঙ্গলবার মাকে গুলি করে হত্যার পর মাইনুল প্রথমে গা ঢাকা দেন দোহাজারীতে। পরে নিজের ব্যবহৃত অস্ত্রটি তিনি সাতকানিয়ার রসুলপুর এলাকার একটি গুদামঘরে লুকিয়ে রাখেন।
বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে কেরানীহাট থেকে বাসে করে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার পথে র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: প্রাইভেট কার থেকে শিক্ষক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
র্যাব-৭ অধিনায়ক আরও জানান, বেপরোয়া ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনের জন্য পরিবারের সাথে দূরত্ব বাড়ছিল মাইনুলের। সেইসাথে বাবার মৃত্যুর পর তার সন্দেহ ছিল মা সব সম্পত্তি বিক্রি করে বোনের সাথে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাবেন।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে মাইনুল জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি তিনি তার বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন। বিষয়টির সত্যতা এবং অস্ত্রটির লাইসেন্স আছে কিনা তা যাচাই করে দেখছে র্যাব।
একাত্তর/এসজে
