প্রতিষ্ঠার ৭২ বছর

মোংলা বন্দর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪০ পিএম

জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হচ্ছে মোংলা বন্দরের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর জেটির মেইন গেটের সম্মুখ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালি বন্দর এলাকা প্রদক্ষিণ করে স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

র‌্যালিতে উপস্থিত সকলকে বন্দর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা। এরপর বন্দর জেটির সেডে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

আলোচনা সভার শুরুতেই কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরপর বন্দরের ওপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ।

পরে সভাপতি পরিচালক (প্রশাসন) মো. শাহীনুর আলম ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, এক সময়ের লোকসানি বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বদলে যায়। বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণের ফলে মোংলা বন্দরে এখন জাহাজ আগমনে নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর শিপিং হাব এ রূপান্তর হবে।

তিনি আরো বলেন, অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর পদ্মাসেতু চালু হওয়ার সাথে সাথেই বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে বন্দরের সেরা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১লা ডিসেম্বর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২তম প্রতিষ্ঠা দিবস। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত। এ বন্দর ১৯৫০ সালের ০১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘দি সিটি অব লিয়নস’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মধ্যদিয়ে এ বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।

১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি অ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে।

আরও পড়ুন: স্লুইস গেটে পাওয়া গেল শিশু আয়াতের বিচ্ছিন্ন মাথা

২০০১ হতে ২০০৮ অর্থবছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকূলতার কারণে লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত ২০০৭-২০০৮ইং অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ইং অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান

করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করে। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে। ফলশ্রুতিতে প্রতি বছর বিদেশি জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।


একাত্তর/আরএ

মোংলা বন্দরে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি করোনার প্রকোপ বৃদ্ধিতে এর প্রতিরোধে সতর্কতামূলক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। এতে একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজ থেকে কয়লা তোলা শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এস্কেভেটর দিয়ে এই কয়লা অপসারণের কাজ শুরু করে মালিকপক্ষ।
মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে কয়লা বোঝাই একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে পশুর নদীর ডুবোচরে আটকে তলা ফেটে ৮০০ মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে ডুবে যায় কার্গো জাহাজ এমভি প্রিন্স অব ঘষিয়াখালী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর