বগুড়ার আদমদীঘিতে নবম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে র্যাবের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত ছহিম হোসেন তুহিন (১৯) আদমদীঘির অন্তাহার গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের তিন মাস পর তুহিনকে গ্রেপ্তার করলো আদমদীঘি থানা পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী জানান, স্থানীয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) স্কুলে যাতায়াতের পথে উত্যক্ত করাসহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো তুহিন। ওই স্কুলছাত্রী তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে অপহরণের হুমকিও দেয় তুহিন। গত ৩০ আগস্ট সকাল সাড়ে আটটায় ওই স্কুলছাত্রী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে অন্তাহার খারীর ব্রিজ এলাকায় পৌছলে তুহিন ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে।
তিনি আরও জানান, কন্যাকে অপহরণের ঘটনায় গত ৩১ আগস্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ওই স্কুলছাত্রীর পিতা। এরপর আদমদীঘি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার মিলপাড়া এলাকা থেকে অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রেরণ করে। ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে তার ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনা উল্লেখ আছে বলে মামলার তদন্তকারী অফিসার জানান।
আরও পড়ুন: দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক নিহত
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, অপহৃতা স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর তুহিনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় অপহরণের পর ধর্ষণ ও তাতে সহায়তার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তুহিনকে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
একাত্তর/জো
