কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রিয়া খাতুন (৯) নামের এক তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে ওই শিশুর মা, নানা-নানী ও মামা-মামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের মধুপুর দুর্গাপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহত রিয়ার মা মোছা. শিল্পী খাতুন (২৩), মামা রফিকুল ইসলাম (২৮), মামী মোছা. রুনা খাতুন (২৩), নানা মোহাম্মদ আলী (৫২) ও নানী মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৫)। নিহত রিয়া খাতুন মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ও উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামের ভ্যানচালক মো. রাইহান ওরফে বাচ্চুর মেয়ে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে গত ৬ অক্টোবর বিকেলে নানাবাড়ির গোয়ালঘর থেকে স্কুলছাত্রী রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ বিষয়ে ওইদিন রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ঘটনা সন্দেহজনক হওয়ায় মরদেহটি পরদিন সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়। গতকাল শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে ডাক্তার রিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন: স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহসীন হোসাইন জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে রিয়ার মা, নানা-নানী ও মামা-মামীকে আসামি করে তার বাবা বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার করে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক সম্পত্তির জেরে রিয়াকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
একাত্তর/জো
