স্বাধীনতার মাসে ধানের চারা ও সবজি দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র, জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় পতাকার আদলে ক্ষেতকেই ক্যানভাসে সাজিয়েছেন শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিনই এসব দেখতে আসেন দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীরা।
শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই) এর প্রায় ৪৩ একর জমির বিশাল এলাকায় ধান ও সবজির প্রদর্শনী প্লট। এর মধ্যে সবার দৃষ্টি কাড়ে বিশাল এক পতাকা। ধানক্ষেতের ক্যানভাসে তৈরি করা হয়েছে ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্য, ৯৬ ফুট প্রস্থ ও ৩২ ফুট বৃত্তের ব্যাসার্ধের জাতীয় পতাকা।
পতাকার সবুজ অংশ বঙ্গবন্ধু-১০০ ও হাইব্রিড এবং মাঝখানে বৃত্তের লাল অংশ দুলালী সুন্দরী ধানের চারা দিয়ে সাজানো হয়েছে। লাল বৃত্ত দিয়ে বুঝানো হয়েছে লক্ষ শহীদের রক্ত ও সবুজ অংশ দিয়ে বুঝানো হয়েছে বাংলার প্রকৃতিকে। পাশেই সবজির প্লটে লাল শাক ও পাট শাকের চারা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র ও স্মৃতি সৌধ।
শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধকরণ, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা সম্পর্কে ধারণা দিতে এবং সৃজনশীল কাজে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে সৃজন করা জাতীয় পতাকা, মানচিত্র ও স্মৃতিসৌধ সবার জন্য ২৬ মার্চ দুপুরে খুলে দেয়া হয়।
শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় ৪০ একর জমির বিশাল এলাকায় ধান ও সবজির প্রদর্শনী প্লটে এসব তৈরি করেছেন তারা। আর ব্যতিক্রমী এমন ধান ক্ষেত দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন দর্শনার্থীরা।
কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল আজম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পেয়েছি। এবার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি জানান, শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রায় ৪০ একর জমির বিশাল এলাকায় ধান ও সবজির প্রদর্শনী প্লট রয়েছে। স্বাধীনতার মাসের গুরুত্ব সবার মাঝে তুলে ধরতে ধান ও সবজির প্লটে সবার দৃষ্টি কাড়ে এমন এক বিশাল পতাকা, মানচিত্র ও স্মৃতিসৌধ করা হয়েছে।
একাত্তর/এসি
