বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পক্ষে এখনো মাঠে নামেননি দলের জেলা ও মহানগর শাখার বেশিরভাগ নেতা। এমনকি এখন পর্যন্ত বরিশালেই যাননি মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা উপদেষ্টা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা।
অবশ্য সর্বস্তরের মানুষ নিজের পক্ষে আছেন বলে দাবি করেছেন প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। তবে তাকে বাদ দিয়ে আগামী নির্বাচনে তার চাচা আবুল খায়ের আবদুল্লাহকে মনোনয়ন দিয়েছে দল।
নতুন প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ বরিশালে যাওয়ার পরও তার সাথে মাঠে নামেননি জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মহম্মদ ইউনুচ বলেন, বর্ধিত সভার মাধ্যমে আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবো।
এনিয়ে অনেকটাই ক্ষুব্ধ মেয়র প্রার্থীর অনুসারীরা। তাদের বক্তব্য, যারা এখনো মাঠে নামেননি তারা দলীয় সিদ্ধান্তই অমান্য করেছেন।
মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন বলেন, একমাস হয়ে গেলে কি কারণে জেলা মহানগর বর্ধিত সভা করছেন না সেটা আমরা জানি না।
মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আফজালুল করিম বলেন, যারা দূরে সরে আছেন- আমি মনে করি এটা নৌকার প্রতি তাদের বিরূপ মনোভাবেরই প্রকাশ।
অবশ্য সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারীদের কৌশলী কথা, ভোটের বাকি আছে বেশ কিছুদিন। প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ হলে তারা মাঠে নামবেন।
মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, নৌকা আমাদের প্রাণ। নৌকা বাঁচলে আমরা আছি।
মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নিগার সুলতানা হনুফা বলেন, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের অনেকেই নৌকার পক্ষে মাঠে বেশ সক্রিয়।
অবশ্য নিজের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতেও সাদিক আবদুল্লাহ বা তার অনুসারীদের রাখেননি প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ। নির্বাচনী উপদেষ্টা কমিটিতে বড় ভাই আবুল হাসনাত আবদুল্লাকে রাখলেও তার আশা খুব একটা করছেন না।
আরও পড়ুন: দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা গাজীপুর সিটির প্রার্থীদের
দলীয় মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ বলেন, সমগ্র জনগোষ্ঠী আমার পক্ষে। কেউ অনুপস্থিত থাকলে তা কোনো গুরুত্ব বহন করে না।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকায় অবস্থান করছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ও তার বাবা আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রার্থী ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত তারা বরিশালে যাননি।
একাত্তর/আরএ
