সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করা এক শ্রমিককে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে শ্রমিক আটকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারের পরে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শ্রমিক নয়ন মিয়া সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা।
পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কথিত টর্চার সেল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক শ্রমিককে উদ্ধার করে পুলিশ। আহত ওই শ্রমিকের শনাক্ত মতে চার নির্যাতনকারীকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটককৃতরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আর নিহত নয়ন বৃহস্পতিবার থেকে সহকারী রড শ্রমিক হিসেবে ওই প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগ দেয়।
নির্মাণ শ্রমিকরা জানান, শুক্রবার ভোরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে নয়ন ও আইয়ুব আলীকে ঘুম থেকে তুলে একটি কক্ষে হাত-পা বেঁধে লোহার রড ও পাইপ দিয়ে পেটাতে থাকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অন্য কর্মীরা। এসময় তারা এক লাখ টাকা ও কয়েকটি মোবাইল চুরির অভিযোগ আনে।
পুলিশ জানায়, দুই শ্রমিককে আটকে নির্যাতনের খবর পেয়ে মেডিক্যাল ক্যাম্পের পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় নয়নকে সকাল ৯টার দিকে উদ্ধার করে জরুরী বিভাগে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নির্যাতনের শিকার আরেক শ্রমিক আইয়ুব আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৩ কিমি দীর্ঘ যানজট
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ জানান, শ্রমিক নির্যাতন ও হত্যার খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নির্যাতনে আহত শ্রমিকের শনাক্তমতে চার নির্যাতনকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
একাত্তর/জো
