পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রকাশ্য হাত-পা বেঁধে গায়ে আগুন দেওয়া এক গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় দগ্ধ হয় তার পাঁচ মাসের শিশু। তবে শিশুটি শঙ্কা মুক্ত। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়।
নিহত গৃহবধূর নাম হালিমা আক্তার মিম (২০)। দগ্ধ শিশুটির নাম জিসান। গ্রেপ্তার নারীর নাম পিয়ারা বেগম।
স্থানীয়রা জানান, ওই নারী পটুয়াখালীর দুমকির সাতানী গ্রামের বাসিন্দা জামাল হোসেন প্রিন্সের স্ত্রী। তাদের ঘরে জিসান নামে পাঁচ মাসের একটি সন্তান রয়েছে। ওই দম্পতি দুই জুন থেকে উপজেলা সদরের নতুন বাজার এলাকার শাহজাহান দারোগার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় মুখোশধারী দুই দুর্বৃত্ত হঠাৎ বাসায় ঢুকে গৃহবধূ মিমের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে বাইরে থেকে সিটকানি বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
এসময় ভাড়াটেদের চিৎকার ও বাড়িতে ধোয়া দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে দগ্ধ গৃহবধূ মিমকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আহমাদ মাইনুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় মিমের মামা ওমর ফারুক বাদি হয়ে শাশুড়ি পিয়ারা বেগমসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে দুমকি থানায় একটি মামলা করেছে।
তিনি বলেন, তদন্ত চলছে, আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
একাত্তর/এসি
