বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে শেরপুরের তুলশীমালা ধান। উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী আশা করছেন, নিবন্ধন পাওয়ায় এই তুলশীমালা ধান চাষে আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের।
সংশ্লিষ্টদের আশা, এর ফলে ধান বিক্রিতে প্রতারণা কমার পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হবেন এই অঞ্চলের মানুষ।
‘পর্যটনের আনন্দে, তুলশীমালার সুগন্ধে’ এই শ্লোগানে শেরপুর জেলার ব্র্যান্ডিং করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন।
গারো পাহাড় অধ্যুষিত শেরপুর জেলাকে আলাদা খ্যাতি দিয়েছে কালোজিরা, গুয়া-মশুরি, চিনি শাইলসহ নানা ধরণের ধান। এসব ধান পেতে বছরজুড়ে অপেক্ষায় থাকেন ক্রেতারা।
অতিথি আপ্যায়ন কিংবা পিঠা-পায়েস তৈরিতে চাহিদার শীর্ষে অতুলনীয় স্বাদ আর সুঘ্রাণের ধান তুলশীমালা। জেলা প্রশাসনের আবেদনে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে এই ধান।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৫০ কোটি টাকার হাড়িভাঙ্গা আম বেচাকেনার আশা
শেরপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস বলেন, উচ্চ গুণসম্পন্ন তুলশীমালা চাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ। তাই এ চাল ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
শেরপুর জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার জানান, জেলার পাঁচ উপজেলায় এবার সাত হাজার হেক্টর জমিতে তুলশীমালা ধানের আবাদ হয়েছে। যা থেকে উৎপাদন হয়েছে ১০ হাজার মেট্রিকটন চাল।
একাত্তর/এসজে
