এবারের ঈদের ছুটির ঘোরাঘুরিতে বড় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে বৃষ্টি। যে কারণে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের উপস্থিতি বেশ কম।
হোটেল মালিকরা বলছেন ৫০ হাজারের মতো পর্যটক রয়েছে কক্সবাজারে। যাদের বেশিরভাগই আশেপাশের এলাকার। দেশের অন্য পর্যটন স্পটগুলোরও একই অবস্থা।
শনিবার সকাল থেকেই কক্সবাজার সৈকতে সমুদ্র স্নানে মেতেছেন পর্যটকরা। ঘোড়ায় চড়ে, বাইকে ঘুরে, কেউ বা জেটস্কিতে চক্কর দিচ্ছেন সমুদ্র।
কেউ কেউ পাখির চোখে সৈকত দেখছেন প্যারা-সেইলিং করে। কোরবানি ঈদের পরদিন শুক্রবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে থাকে।
এদিকে খাগড়াছড়িতেও জমজমাট পর্যটন স্পটগুলো। আলুটিলা, আলুটিলা ব্রিজ, চেঙ্গী নদী, রহস্যময় গুহা, রিছাং ঝর্ণা সবই আকর্ষণ করে পর্যটকদের।
রয়েছে হটিকালচার পার্ক, ঝুলন্ত সেতু, মায়াবিনী লেক, হাতি মাথা পাহাড়, দেবতা পুকরু, তৈদুছড়া ঝর্ণা, পাহাড়ী কৃষি গবেষনা কেন্দ্র ও পানছড়ির অরণ্য কুটির।
আরও পড়ুন: দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করবোই: প্রধানমন্ত্রী
এদিকে কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব পশ্চিমের প্রায় তিন কিলোমিটার সৈকত জুড়ে পর্যটকে ভরপুর। ব্যবসায়ীরা জানান, এদের বেশিরভাগ আশেপাশের এলাকার বৈরি আবহাওয়া আর টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার কাছে সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে বিনোদন পার্ক গুলোতেও ভিড় নেই। এজন্য হতাশা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/এসি
