যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তরুণ ইয়াজ উদ্দিন আহমেদের মিরসরাইয়ের গ্রামের বাড়িতে এখন বিষাদের ছায়া।
বৃহস্পতিবার মিরসরাইয়ে ইয়াজের গ্রামের বাড়িতে চলছিল ফুপাতো ভাইয়ের বিয়ের আয়োজন। দেশ-বিদেশ থেকে এসেছেন স্বজনরাও। এর মধ্যেই মেলে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তার মৃত্যুর খবর। মুহূর্তেই আনন্দ পরিণত হয় বিষাদে।
স্বজনরা জানান, গত বুধবার মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইস শহরে মালিকের ফুয়েল স্টেশনে গাড়ি রেখে পাশেই নিজ কর্মস্থলে কাজ করছিলেন ইয়াজ। এসময় তার গাড়ি নিয়ে যেতে চায় একদল সন্ত্রাসী। বাধা দেয়ায় তাকে গুলি করে তারা। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
ইয়াজের বড় চাচা মোয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানান, এ ঘটনায় পুলিশ এক অভিযুক্তকে আটক করে। তবে হাতকড়া পরা অবস্থায় পুলিশ হেফাজত থেকে সে পালিয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশে প্রকাশ্যে এমন হত্যাকাণ্ড মেনে নিতে পারছেন না ইয়াজের স্বজনরা। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি করেছেন তারা।
আরও পড়ুন: এনজিও কর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে আটক তিন
বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন মারা গেলে ইয়াজকে আমেরিকায় নিয়ে যান খালা রেহেনা বেগম। সেখানে লেখাপড়া শেষ করার পর চাকরি করছিলেন ২২ বছর বয়সী ইয়াজ।
একাত্তর/জো
