ময়মনসিংহে বেড়েছে গরুচোরের উৎপাত। পুলিশি টহল এবং এলাকাবাসীর পাহারায়ও বন্ধ হচ্ছে না চুরি। এ অবস্থায় আতঙ্কিত ও দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক ও খামারিরা।
তবে টহল বাড়ানোসহ চোর সিন্ডিকেটকে ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে দাবি করেছেন পুলিশ সুপার।
এনজিও’র ঋণ নিয়ে ৬৫ হাজার টাকায় একটি গাভী কিনেছিলেন ময়মনসিংহ সদরের চরলক্ষ্মীপুরের কৃষক শহীদুল ইসলাম। কিস্তি পরিশোধের পাশাপাশি গাভীর দুধ বিক্রির টাকায় চলতো তার সংসার।
কিন্তু গত ৪ জুলাই রাতে একমাত্র সম্বল সেই গাভীটি চুরি হওয়ায়, শহীদুল এখন দিশেহারা। একরাতেই তিনটি গরু চুরি হওয়ায় নিঃস্ব হয়েছেন একই গ্রামের খামারি নেজামুল ইসলামও।
ময়মনসিংহ সদরের চরলক্ষ্মীপুর ও চরহরিপুরে গেল কোরবানির ঈদের আগে থেকে বেড়েছে গরু চুরির ঘটনা। এলাকাবাসী বলছেন, রাত জেগে পাহারা দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না গরু চুরি।
চরঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা সেলিম জানান, গত দুই মাসে কেবল চরঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নেই অন্তত ১৮টি গরু চুরি হয়েছে। মাইকিংসহ এলাকাবাসীর সাথে পুলিশের সভা সমাবেশেও কোনো কাজ হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা
ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঞা বলেন, মহাসড়কে চেক পোস্ট এবং এলাকায় টহল বাড়ানোসহ গরুচোর সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে পুলিশ।
তিনি জানান, গত ৩১ মে ভালুকা থেকে চুরি হওয়া সাতটি গরুসহ চোর চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
একাত্তর/এসজে
