টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে রাঙ্গামাটির চার উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। তবে এখনো বেশকিছু জায়গা কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবে আছে।
জেটিঘাট এলাকায় কচুরিপানার জঞ্জাল থাকায় বন্ধ আছে নৌ চলাচল। আর বন্যার পর পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হবার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে বন্যা কবলিত এলাকার পানি। তবে পানি নেমে গেলেও ভেসে উঠছে বন্যার ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন। পুরো এলাকা কাদায় ভরা।
দেখা মিলছে বিধ্বস্ত রাস্তাঘাট, কালভার্ট। একই সঙ্গে উপড়ে পড়া গাছপালাও। রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলা নিম্নাঞ্চল থেকে পানি কমতে শুরু করলেও এখনো বাড়ি ফিরতে পারেনি অনেক পরিবার।
স্থানীয়রা জানান, তাদের চাষের জমি এবং বাড়িঘর বন্যায় ভেসে গেছে।
কাপ্তাই জেটিঘাটে এক কিলোমিটার এলাকা এখনো কচুরিপানার দখলে। এতে বন্ধ রয়েছে নৌ চলাচল।
এক সপ্তাহের বৃষ্টিতে রাঙামাটি জেলার ৩৫৭ স্থানে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি পরিসরে পাহাড় ধস হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫৯৯টি বসতঘর।
আরও পড়ুন: ডিমের দাম আরও বেড়েছে
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন খান বলেন, কিছু কিছু ফসল টিকে যাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে বলতে পারি চার হাজার হেক্টর জমি বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। তবে, ক্ষতির ঠিক পরিমাণ নির্ণয়ে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।
বন্যার পানিতে জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় পৃথক ঘটনায় তিন শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
একাত্তর/আরএ
