আগামী ২০ অক্টোবর বোধন ও মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এরইমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ করেছেন শিল্পীরা। এখন চলছে রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমা রাঙিয়ে তোলার কাজ। পাশাপাশি চলছে সাজ-সজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ।
আর দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।
প্রতিমা শিল্পীরা জানান, পারিশ্রমিকের দিক থেকে তারা স্বাবলম্বী না হলেও মনের খোরাকে তারা এই কাজ করেন। তবে নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই পেশায় আসতে চায় না।
পটুয়াখালীতে এ বছর দুইশ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে বাড়তি সতর্কতার কথা জানান কর্মকর্তারা।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম বলেন, আগামী ২০ তারিখ থেকে আনসার বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তার আগ পর্যন্ত আমাদের গ্রাম পুলিশরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। আমাদের হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের আশ্বস্ত করছি।
হবিগঞ্জের নয়টি উপজেলায় এবার ৬৯২টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী বলেন, ষষ্ঠীর মাধ্যমে যখন বোধন করা হবে, সেদিন থেকে একবারে বিসর্জন পর্যন্ত সার্বিক একটি নিরাপত্তা পরিকল্পনা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলায় ৭৯টি পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরিসহ পূজা উদযাপনের নানা প্রস্তুতি চলছে। তবে আগামী নির্বাচনের কারণে কিছুটা শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
অবশ্য নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কারিগরদের সাথে কথা বলেছি। ওদের আশ্বস্ত করেছি, ওনাদের সাথে মত বিনিময় করছি ও সাহস যোগাচ্ছি আমরা ওনাদের পাশে।
সীমান্তবর্তী উপজেলা দিনাজপুরের হাকিমপুরে এবার ২১টি মণ্ডপে আয়োজন হচ্ছে দুর্গাপূজা। এজন্য প্রতিমা তৈরির চূড়ান্ত কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা।
