আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে কেন্দ্রীয় যুবলীগ যে কমিটি করেছে, সেই কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান পবন। লক্ষ্মীপুরে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের জয়ী করতে তাকে কাজ করতে বলা হয়েছে।
অথচ দলের নির্দেশনা ফেলে যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পবন নিজেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। লড়ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
রামগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত লক্ষ্মীপুর-১ আসনে নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন খান। নৌকার বিরুদ্ধে ঈগল প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন পবন।
গত ৮ ডিসেম্বর যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নির্দেশে নৌকার প্রার্থীদের জয়ী করতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। পরশ আছেন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আর কো-চেয়ারম্যান যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
নৌকা জেতানো কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন সংগঠনটির ১৮ জন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য; এর ৯ নম্বর সদস্য হাবিবুর রহমান পবন।
অবশ্য শুধু পবনই নন, যুবলীগের নৌকা জেতানো কমিটির আরো সদস্য নেমেছেন নৌকার বিরুদ্ধে। ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-চরভদ্রাসন-সদরপুর) আসনে নৌকার প্রার্থী কাজী জাফর উল্লাহর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।
হাবিবুর রহমান পবন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তবে না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।
আর পবন নিজে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে যাওয়ায়, লক্ষ্মীপুর জেলার অন্য আসনগুলোকে তার ভূমিকা কেমন হবে, তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
নৌকা জেতাতে যুবলীগ দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন হাবিবুর রহমান পবন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ থেকে নির্বাচনী কমিটির দায়িত্ব আমার ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। কেননা আমি প্রার্থী, তা আমার কেন্দ্র জানে।
‘নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতেই আমি প্রার্থী হয়েছি। সারাদেশে যুবলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন, তাই আমিও ঈগল প্রতীক চেয়েছি এবং পেয়েছি।’
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নিজে বিজয়ী হওয়ার আশা প্রকাশ করেন হাবিবুর রহমান পবন।
আবার আটকে গেলো সাদিক আবদুল্লাহর প্রার্থিতা