লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় সংঘটিত একটি ডাকাতির ঘটনায় পাঁচ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২৯ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের তত্ত্বাবধানে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ মার্চ রাত আনুমানিক ২টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন ১৮ নম্বর কুশাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি একতলা বাড়িতে ৭–৮ জনের একটি ডাকাত দল প্রবেশ করে। তারা প্রায় ২৯ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার (আনুমানিক মূল্য ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা), নগদ ১ লাখ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোনসহ মোট প্রায় ৫৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় মামলা দায়ের করলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
অভিযানে গ্রেপ্তার খোরশেদ আলমের বাড়ি থেকে নগদ তিন লাখ টাকা এবং প্রায় ২ ভরি ১০ আনা ৩ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া শাহাদাত হোসেন মোহনের বাসা থেকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চন্দ্রগঞ্জের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দোকান থেকে ১ ভরি ১২ আনা এবং চাটখিল উপজেলার দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দোকান থেকে আরও ৫ ভরি ১৫ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১০ ভরি ৫ আনা ৩ রতি ওজনের স্বর্ণালংকার (বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২৬ লাখ টাকা) এবং নগদ ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা— যার মোট মূল্য প্রায় ২৯ লাখ ৫ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অবশিষ্ট লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)–এর সহায়তায় ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দলকে ছায়া তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্কুলে ভর্তিতে লটারি নাকি পরীক্ষা, যে সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
হাতিয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় স্বামী-সতিন গ্রেপ্তার