বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকায় আবারও মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেল এসে পড়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যমপাড়ায় সৈয়দ নূরের বাগানে এসে মর্টারশেলটি পড়ে।
তবে এ ঘটনায় নতুন করে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘুমধুম ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, গতকাল মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেল বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি ও এক রোহিঙ্গা নিহতের পর ভোরে মধ্যমপাড়ার সৈয়দ নূরের আমবাগানে বেশ কিছু গুলি ও একটি মর্টারশেল এসে পড়েছে।
বান্দরবান পুলিশ সুপার (এসপি) সৈকত শাহীন জানান, ঘুমধুম এলাকায় মর্টারশেল বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
এর আগে, বান্দরবানে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলে এক বাংলাদেশি নারী ও এক রোহিঙ্গা নাগরিক নিহত হন। সোমবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দক্ষিণ ঘুমধুমের এই এলাকা বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। এর পাশেই মিয়ানমার সীমান্ত। সেখানে মিয়ানমার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ চলছে। কিছুক্ষণ পরপরই ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের শব্দ। এতে পুরো সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় চলে যাচ্ছে।
গুলিবিদ্ধ চার জান্তা সীমান্তরক্ষীকে চমেকে ভর্তি