নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তিনটি কোল্ড স্টোরেজে অভিযান চালিয়ে প্রায় ছয় লাখ ডিমের সন্ধান পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই অভিযান চলে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর শাহীন অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে কোল্ড স্টোরেজে পাঁচ লাখ ৯১ হাজার পিস ডিম মজুদের চিত্র দেখতে পায়। পরে ডিমের মালিক তাজুল ইসলাম ও মাসুদুর রহমান মাসুদকে ডিমগুলো কোল্ড স্টোরেজ থেকে বের করে বাজারজাত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সময় পেরিয়ে গেলে নিজ দায়িত্বে ডিমগুলো জব্দ করে বাজারে সরবরাহ করবে ভোক্তা অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস গণমাধ্যমকে বলেন, সরকার ডিমের আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর থেকে ডিমের দাম কমতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোল্ড স্টোরেজে ডিম মজুত শুরু করে। তাদের উদ্দেশ্য, বাজার আবারও অস্থিতিশীল করা। ফতুল্লার একটি স্টোরেজে প্রায় ছয় লাখ ডিমের মজুত পেয়েছি। বুধবারের মধ্যে ডিম সরবরাহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় বৃহস্পতিবার ভোক্তা অধিদপ্তর নিজ দায়িত্বে ডিমগুলো জব্দ করে বাজারে সরবরাহ করবে।
এ সময় অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল, নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান, ক্যাব নারায়ণগঞ্জের জয়েন্ট সেক্রেটারি বিল্লাল হোসেন রবিন ও জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কিছুটা কমলো স্বর্ণের দাম