পদ্মার তীব্র স্রোতে কয়েকদিন ধরেই ভাঙছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট। ক্রমশ তীব্র হচ্ছে ভাঙন। এতে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। ঘাটে অপেক্ষায় থাকা গাড়ির সারি দীর্ঘ হচ্ছে। ভোগান্তিতে পড়েছে ২১ জেলার মানুষ। নদীর তীর ও ঘাট রক্ষায় বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।
কয়েক দিন ধরেই ভাঙছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট। ৫ নম্বর ফেরিঘাটের কিছু অংশ ধসের পর দু’দিন বন্ধ ছিল। সংস্কার শেষে শনিবার থেকে এ ঘাট দিয়ে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
চার নম্বর ফেরিঘাটও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। সেখানেও ফেলা হচ্ছে জিও ব্যাগ। যানবাহন পারাপার ব্যাহত হওয়ায় দুই পাড়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। শুধু তিন নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।
তীব্র স্রোতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পারাপারে সময় লাগছে দ্বিগুণ। অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত পাটুরিয়া ঘাটের সঙ্গে জড়িত অন্তত দুই হাজার পরিবারের জীবন জীবিকা।
এদিকে নদীর তীর ও ঘাট রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষায় এমন সমস্যা দেখা দিলেও কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়নি। যে কারণে এবার বড় বিপর্যয় হয়েছে।
পদ্মার প্রবল স্রোতে ভেঙে পড়েছে পাটুরিয়ার লঞ্চঘাট। দুইটি জেটি সম্পূর্ণ ধসে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার লঞ্চ যাত্রীরা।
বিআইডব্লিউটিএ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী নেপাল চন্দ্র দেবনাথ জানিয়েছেন, ভাঙনের পর জিও ব্যাগ ফেলে রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। লঞ্চঘাটি রিজার্ভ ১ নম্বর ফেরিঘাটে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
এবার সিলেটে জৈন্তাপুর থেকে প্রকাশ্যে লুট হচ্ছে পাথর