নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা ও বাগেরহাটে মোল্লাহাট উপজেলায় বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় ১১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং মাদক পরিবহনে একটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
নওগাঁ
নওগাঁ বদলগাছী উপজেলা থেকে ৭২ কেজি গাঁজাসহ মনির হোসেন নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। এ সময় নগদ টাকা ও একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। তবে ঘটনা স্থল থেকে প্রাইভেটকারের চালক আলমগীর হোসেন পালিয়ে যায়।
বুধবার দুপুরে নওগাঁ সার্কিট হাউজে সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক শেখ সাদিক।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে বদলগাছী উপজেলার চারমাথা এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে মাদক উদ্ধার ও কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আলমগীর হোসেন নামে একজন পালিয়ে গেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মনির হোসেন। তিনি সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার কুচরাই গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি জানান, মনির ও আলমগীর চিহ্নিত পেশাদার মাদক কারবারি । তারা দীর্ঘদিন যাবত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক সরবরাহ করে আসছেন। মঙ্গলবার কুমিল্লা থেকে অভিনব কায়দায় প্রাইভেটকারে গাঁজা নিয়ে বিক্রির উদ্দেশে রওনা হলে তাকে আটক করা হয়। মনিরের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বদলগাছি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মোল্লাহাট
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ আবুল হোসেন (৩২) ও সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।
বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মোল্লাহাট থানা এলাকার মেসার্স সাগর ফিলিং স্টেশনের পূর্বপাশে একটি পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে গাঁজা উদ্ধার ও দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার ভোজপুর উপজেলার করিবাগান গ্রামের আবুল হোসেন (৩২) এবং চট্টগ্রাম জেলার ভোজপুর উপজেলার উদিয়া পাথর গ্রামের সাইফুল ইসলাম ।
বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন খবরে গাঁজাসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার বিভিন্ন ছোট ছোট বাজারে গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
