চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনি অপরাধের অভিযোগে বিএনপির স্থানীয় দুই নেতাসহ ৬ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. মাওলানা কেরামত আলীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. উজ্জ্বল মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই আদেশ দেওয়া হয়।
শোকজপ্রাপ্ত নেতারা হলেন—বিনোদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মাহিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাসিন উদ্দিন।
অভিযুক্ত বাকি চারজন হলেন বিশ্বনাথপুর-লম্বাটোলা এলাকার মো. আরিফ, মো. সুমন, মো. বিএল এবং মো. শহিদুল।
অভিযোগে দাবি করা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি রাতে বাখেরআলী বাজারে বিএনপি কার্যালয়ের পাশে জামায়াতের নির্বাচনি অফিসের সামনে উঠান বৈঠক চলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো জামায়াত। এ সময় ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিএনপির দুই নেতার প্রত্যক্ষ মদদে একদল লোক বৈঠকে রাখা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে এবং কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেয়।
অনুসন্ধান কমিটির নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অভিযুক্তদের আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সশরীরে উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ১০ নেতা বহিষ্কার